পটভূমি:
বরিশালের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এইচ. জে. এইচ ফ্যাসন সাহেব ১৮৮৫-৮৭ সালের দিকে প্রশাসনিক ভাবে বর্তমান ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার বিভিন্ন চরগুলির প্রতি দৃষ্টি দেন। তিনি এ এলাকায় একটি বাজার স্থাপন করেন। চরফ্যাসন সাহেব চর এলাকায় বাজার স্থাপন করেন বলে মি.ডোনাবানের প্রস্তাবে এ বাজারের নাম হয় চরফ্যাসন বাজার। পরবর্তীতে এ এলাকার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠে চরফ্যাসন বাজারটি। পরবর্তীতে এলাকার প্রাণকেন্দ্র চরফ্যাসন বাজারের নাম অনুসারে গোটা এলাকার নাম করণ করা হয় চরফ্যাসন । যে জনপদের মানুষ শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বন্ধনে আবদ্ধ। বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে আকর্ষনীয় হলুদ শর্ষে ফুলের সৌন্দর্যে বিমোহিত মানুষের মুখে মুখে বহুল প্রচারিত হয়েই হয়তো এই জনপদের নামকরণ হয় চরফ্যাসন। বর্তমানে চরফ্যাসন উপজেলার অনেক কৃতি, সফল, খ্যাতিমান, আলোকিত, প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী ছাড়াও বিভিন্ন সংস্থার পেশাজীবীরা স্থায়ী অস্থায়ীভাবে ঢাকায় বসবাস করছেন। ঢাকায় বসবাসরত চরফ্যাসন উপজেলার সকল মানুষের নিজস্ব চাকরি, ব্যবসা বা অন্যান্য দায়িত্বের পাশাপাশি পারস্পারিক সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করা, তাঁদের মধ্যে সততা, নম্রতা, কর্তব্য নিষ্ঠা ও শৃংখলাবোধ বজায় রেখে চরফ্যাসন র সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে সহায়তা প্রদান ও সমন্বয় সাধনের উদ্দেশ্যে ঢাকায় একটি 'কমন প্লাটফর্ম' তৈরি করার লক্ষ্যে গঠীত 'চরফ্যাসন উপজেলা সমিতি, ঢাকা'-র জন্য এই গঠনতন্ত্র প্রণয়ণ করা হলো।
১। সমিতির নাম:
এই সমিতি 'চরফ্যাসন উপজেলা সমিতি, ঢাকা' নামে অভিহিত হবে। এই গঠনতন্ত্রে 'সমিতি' বলিতে 'চরফ্যাসন উপজেলা সমিতি, ঢাকা' বোঝাবে। এই সমিতি চরফ্যাসন'র সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিল্প ও বাণিজ্য, পরিবেশ ও জলবায়ু এবং শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানের জন্য ইতিবাচক কাজ করবে। সমিতি হবে অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক এবং মুক্তিযোদ্ধার চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল।